এখানে শিক্ষামূলক সকল বিষয় সম্পর্কে জানুনClick Here!

X

|

Find out what it takes to get a Passport 2025 | আরো পড়ুন...

Tech Elite
By -
1

পাসপোর্ট করতে কী কী লাগে | বিস্তারিত পড়ুন.....




এখন অনলাইনে আবেদন করে নিজেই নিজের পাসপোর্ট পেতে পারেন এবং পুরাতন পাসপোর্ট রিনিউ করতে পারবেন। জানুন পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে এ নিয়ে বিস্তারিত।


আপনি যদি জানেন পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে এবং কিভাবে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হয়, কোন দালাল ছাড়াই নিজেই নিজের পাসপোর্ট করতে পারবেন। তাই আজকে আলোচনা করবো পাসপোর্ট করতে আপনার কি কি কাগজ লাগবে এবং কিভাবে আবেদন করবেন তা নিয়ে।


পাসপোর্ট আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনে হওয়ার কারণে এখন যে কেউ নিজে নিজেই তার পাসপোর্ট আবেদন করতে পারে। ই পাসপোর্ট করতে খুব বেশি কোন কাগজপত্র এবং কোন কাগজপত্রের সত্যায়িত কপি লাগে না। আসুন জানি পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে।



বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নিয়ম অনুসারে, পাসপোর্ট করতে প্রধানত জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন লাগে। অতিরিক্ত ডকুমেন্ট হিসেবে নাগরিক সনদ ও পেশার প্রমাণপত্র লাগে। এছাড়া অপ্রাপ্তবয়স্কদের পাসপোর্ট করতে পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সরকারি চাকরীজীবিদের ক্ষেত্রে NOC অথবা GO লাগবে।


একজন বাংলাদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট করতে মূলত ৫টি ডকুমেন্ট লাগে তা হলো:


  1. অনলাইনে আবেদন কপি;
  2. অনলাইন আবেদনের Registration Form;
  3. জাতীয় পরিচয়পত্রের মূলকপি ও ফটোকপি, অথবা ইংরেজি জন্ম নিবন্ধন সনদের মূল কপি ও ফটোকপি (বয়স ২০ এর কম এবং জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে);
  4. পাসপোর্ট ফি পরিশোধের A Challan;
  5. নাগরিক সনদের (নতুন পাসপোর্টের জন্য);


পাসপোর্ট আবেদনের ধরণ অনুসারে অতিরিক্ত কিছু কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। এগুলো হলো:


  1. পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি (শিশুদের ক্ষেত্রে আবশ্যিক)।
  2. NOC অথবা GO (সরকারি চাকরীজীবিদের জন্য)
  3. পূর্ববর্তী পাসপোর্টের ফটোকপি ও অরিজিনাল পাসপোর্ট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);
  4. পেশাগত সনদের ফটোকপি বা চাকুরীর আইডি কার্ড (পেশাজীবির ক্ষেত্রে- যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, হিসাবরক্ষক, আইনজীবি);
  5. নাগরিক সনদ/ চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);
  6. ঠিকানার প্রমাণপত্র/ ইউটিলিটি বিলের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);
  7. 3R Size ছবি Lab Print, Gray Background (৬ বছর বয়সের কম শিশুদের ক্ষেত্রে);
  8. পাসপোর্ট হারানোর জিডি কপি (পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে)।


এই অতিরিক্ত ডকুমেন্টগুলো সবার জন্য সবসময় প্রয়োজন হয় না। যেমন আপনি পাসপোর্ট রিনিউ করার ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী পাসপোর্টের অরিজিনাল কপি দেখাতে হয় এবং একটি ফটোকপি জমা দিতে হয়। এখন এই Documents গুলো নিয়ে একটু বিস্তারিত জানা যাক।


পাসপোর্ট করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:


১. Application Summery ও Registration Form

অনলাইনে আবেদন সাবমিট করার পর ২টি ডকুমেন্ট Download করতে হবে, একটি Application Summery এবং অন্যটি Registration Form। এই ২টি ডকুমেন্ট প্রিন্ট করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জমা দিতে হবে।


২. জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ

যাদের বয়স বরাবর ২০ বছর বা তার বেশি, তাদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট করতে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি দেখাতে হবে এবং ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। তবে পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয় পত্র প্রয়োজন হয় না।

আবার যাদের বয়স ১৮ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে তারা চাইলে জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন যে কোন ১টি ডকুমেন্ট দিয়ে পাসপোর্ট করতে পারবেন।

তবে বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন হতে আবেদনের ক্ষেত্রে সবক্ষেত্রেই Online Birth Certificate English Version গ্রহণযোগ্য হবে।

তবে মনে রাখবেন, Birth Certificate বা NID যেটা দিয়েই পাসপোর্ট করেন না কেন সেটির তথ্য অনুসারেই পাসপোর্ট আবেদন করতে হবে। এমনকি যারা পাসপোর্ট রিনিউ করবেন তাদের জন্যও পাসপোর্টের তথ্য এবং জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধনের তথ্য একই থাকতে হবে।

জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধনের তথ্য পাসপোর্টের সাথে না মিললে পাসপোর্ট রিনিউ করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে হয়তো আপনাকে পাসপোর্ট সংশোধন অথবা পাসপোর্ট অনুসারে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন বা জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করে নিতে হবে।

পাসপোর্টের আবেদন জমা দেয়ার সময় অবশ্যই এগুলোর মূল কপি সংগে নিয়ে যাবেন এবং ১কপি ফটো কপি আবেদনের সাথে নিয়ে যাবেন।


৩. পাসপোর্ট ফি পরিশোধের চালান

পাসপোর্ট ফি অবশ্যই Online এ না দিয়ে Offline Payment Method যেমন ব্যাংক থেকে A Challan করবেন। আপনি চাইলে Online Banking বা Mobile Wallet এর মাধ্যমে নিজেই অনলাইনে পাসপোর্ট ফি জমা দিতে পারবেন।। তবে আপনি এসবক্ষেত্রে নতুন হলে সবচেয়ে নিরাপত আপনি ব্যাংকের মাধ্যমে ফি পরিশোধন করুন।

পাসপোর্ট আবেদন করার সময় Online Payment হতে আবেদন করলে, আবেদনটিতে কোন ভুল হলে যদি আবেদন বাতিল করতে চান তখন Payment টিও বাতিল হয়ে যাবে। তাই Offline Payment করা উচিত। Offline পেমেন্ট চালানটির মেয়াদ ৬ মাস থাকবে। এই পেমেন্ট চালান দিয়ে ৬ মাসের মধ্যে আপনি পাসপোর্ট আবেদন করতে পারবেন।


৪. অন্যান্য কাগজপত্র (প্রযোজ্য হলে)

পাসপোর্ট করার জন্য উপরের ৩টি মূল কাগজপত্র ছাড়াও অন্যান্য কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে, যেগুলো সবার জন্য প্রযোজ্য নাও হতে পারে। আপনার তথ্য ও আবেদন অনুসারে, পূর্ববর্তী পাসপোর্টের ফটোকিপি, নাগরিক সনদ, পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের কপি, পেশার প্রমাণপত্র, কাবিন নামা, ইউটিলিটি বিল ইত্যাদির কোন ডকুমেন্ট লাগতে পারে।


নাগরিক সনদ/ কাউন্সিলর/ চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট


নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে তাদের ক্ষেত্রে নাগরিক সনদ প্রয়োজন হতে পারে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলর থেকে নাগরিক সনদ নিতে পারবেন।


পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয় পত্র


পাসপোর্ট আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছরের কম হলে পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।


পুরাতন পাসপোর্টের কপি


যারা Passport Renew করবেন, তারা তাদের সর্বশেষ পাসপোর্টটি আবেদন জমা দেয়ার সময় নিয়ে যাবেন। এছাড়া আবেদনের সাথে একটি ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। মনে রাখবেন, পূর্ববর্তী পাসপোর্টের তথ্য কোনভাবেই গোপন রাখা যাবে না, গোপন করলে আবেদন ফি সহ আবেদন বাতিল করা হবে।


NOC বা GO


সরকারি চাকরীজীবি যারা নিজ প্রয়োজনে পাসপোর্ট করবেন, তারা তার বিভাগ বা অধিদপ্তর থেকে No Objection Certificate বা অনাপত্তিপত্র নিতে হবে।

অপরদিকে যারা সরকারি কাজে দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করবেন। তাদের প্রয়োজন হবে সরকারি অফিসিয়াল পাসপোর্ট করার সরকারি আদেশ।


পেশাগত সনদ বা চাকুরীর আইডি কার্ডের কপি


পেশাজীবির ক্ষেত্রে- যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, হিসাবরক্ষক, আইনজীবির ক্ষেত্রে পেশার প্রমাণপত্র হিসেবে সনদ বা আইডি কার্ডের কপি জমা দিতে হবে।


কাবিন নামা


পাসপোর্টে Spouse Name যুক্ত করলে স্বামী বা স্ত্রীর এনআইডি কার্ড ও Marriage Certificate বা কাবিন নামার কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।


বিশেষ দ্রষ্টব্য: পাসপোর্ট সংশোধনের ক্ষেত্রে নামের বড় ধরণের সংশোধন, জন্ম তারিখ ও স্থায়ী ঠিকানা সংশোধন করা হলে প্রয়ােজনে স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও অন্যান্য গােয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে প্রদত্ত তথ্য যাচাই করা হতে পারে।




বি:দ্রঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এর সাথে এই ওয়েবসাইটের কোন সম্পর্ক নেই। এই blog শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। তাই দয়া করে বিভ্রান্ত হবেন না।

বিশেষ বার্তাঃ ‘Tech Elite’ এই সাইটের যেকোনো কন্টেন্ট কপি করা থেকে বিরত থাকুন। যদি কপি করতে হয় তাহলে অবশ্যই এই সাইটের নাম ও লিংক পোস্টের সাথে শেয়ার করুন।

পাসপোর্ট করতে কী কী লাগে | বিস্তারিত পড়ুন.....




এখন অনলাইনে আবেদন করে নিজেই নিজের পাসপোর্ট পেতে পারেন এবং পুরাতন পাসপোর্ট রিনিউ করতে পারবেন। জানুন পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে এ নিয়ে বিস্তারিত।


আপনি যদি জানেন পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে এবং কিভাবে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হয়, কোন দালাল ছাড়াই নিজেই নিজের পাসপোর্ট করতে পারবেন। তাই আজকে আলোচনা করবো পাসপোর্ট করতে আপনার কি কি কাগজ লাগবে এবং কিভাবে আবেদন করবেন তা নিয়ে।

Table of Contents


পাসপোর্ট আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনে হওয়ার কারণে এখন যে কেউ নিজে নিজেই তার পাসপোর্ট আবেদন করতে পারে। ই পাসপোর্ট করতে খুব বেশি কোন কাগজপত্র এবং কোন কাগজপত্রের সত্যায়িত কপি লাগে না। আসুন জানি পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে।



বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নিয়ম অনুসারে, পাসপোর্ট করতে প্রধানত জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন লাগে। অতিরিক্ত ডকুমেন্ট হিসেবে নাগরিক সনদ ও পেশার প্রমাণপত্র লাগে। এছাড়া অপ্রাপ্তবয়স্কদের পাসপোর্ট করতে পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সরকারি চাকরীজীবিদের ক্ষেত্রে NOC অথবা GO লাগবে।


একজন বাংলাদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট করতে মূলত ৫টি ডকুমেন্ট লাগে তা হলো:


  1. অনলাইনে আবেদন কপি;
  2. অনলাইন আবেদনের Registration Form;
  3. জাতীয় পরিচয়পত্রের মূলকপি ও ফটোকপি, অথবা ইংরেজি জন্ম নিবন্ধন সনদের মূল কপি ও ফটোকপি (বয়স ২০ এর কম এবং জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে);
  4. পাসপোর্ট ফি পরিশোধের A Challan;
  5. নাগরিক সনদের (নতুন পাসপোর্টের জন্য);


পাসপোর্ট আবেদনের ধরণ অনুসারে অতিরিক্ত কিছু কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। এগুলো হলো:


  1. পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি (শিশুদের ক্ষেত্রে আবশ্যিক)।
  2. NOC অথবা GO (সরকারি চাকরীজীবিদের জন্য)
  3. পূর্ববর্তী পাসপোর্টের ফটোকপি ও অরিজিনাল পাসপোর্ট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);
  4. পেশাগত সনদের ফটোকপি বা চাকুরীর আইডি কার্ড (পেশাজীবির ক্ষেত্রে- যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, হিসাবরক্ষক, আইনজীবি);
  5. নাগরিক সনদ/ চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);
  6. ঠিকানার প্রমাণপত্র/ ইউটিলিটি বিলের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);
  7. 3R Size ছবি Lab Print, Gray Background (৬ বছর বয়সের কম শিশুদের ক্ষেত্রে);
  8. পাসপোর্ট হারানোর জিডি কপি (পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে)।


এই অতিরিক্ত ডকুমেন্টগুলো সবার জন্য সবসময় প্রয়োজন হয় না। যেমন আপনি পাসপোর্ট রিনিউ করার ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী পাসপোর্টের অরিজিনাল কপি দেখাতে হয় এবং একটি ফটোকপি জমা দিতে হয়। এখন এই Documents গুলো নিয়ে একটু বিস্তারিত জানা যাক।


পাসপোর্ট করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:


১. Application Summery ও Registration Form

অনলাইনে আবেদন সাবমিট করার পর ২টি ডকুমেন্ট Download করতে হবে, একটি Application Summery এবং অন্যটি Registration Form। এই ২টি ডকুমেন্ট প্রিন্ট করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জমা দিতে হবে।


২. জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ

যাদের বয়স বরাবর ২০ বছর বা তার বেশি, তাদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট করতে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি দেখাতে হবে এবং ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। তবে পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয় পত্র প্রয়োজন হয় না।

আবার যাদের বয়স ১৮ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে তারা চাইলে জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন যে কোন ১টি ডকুমেন্ট দিয়ে পাসপোর্ট করতে পারবেন।

তবে বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন হতে আবেদনের ক্ষেত্রে সবক্ষেত্রেই Online Birth Certificate English Version গ্রহণযোগ্য হবে।

তবে মনে রাখবেন, Birth Certificate বা NID যেটা দিয়েই পাসপোর্ট করেন না কেন সেটির তথ্য অনুসারেই পাসপোর্ট আবেদন করতে হবে। এমনকি যারা পাসপোর্ট রিনিউ করবেন তাদের জন্যও পাসপোর্টের তথ্য এবং জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধনের তথ্য একই থাকতে হবে।

জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধনের তথ্য পাসপোর্টের সাথে না মিললে পাসপোর্ট রিনিউ করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে হয়তো আপনাকে পাসপোর্ট সংশোধন অথবা পাসপোর্ট অনুসারে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন বা জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করে নিতে হবে।

পাসপোর্টের আবেদন জমা দেয়ার সময় অবশ্যই এগুলোর মূল কপি সংগে নিয়ে যাবেন এবং ১কপি ফটো কপি আবেদনের সাথে নিয়ে যাবেন।


৩. পাসপোর্ট ফি পরিশোধের চালান

পাসপোর্ট ফি অবশ্যই Online এ না দিয়ে Offline Payment Method যেমন ব্যাংক থেকে A Challan করবেন। আপনি চাইলে Online Banking বা Mobile Wallet এর মাধ্যমে নিজেই অনলাইনে পাসপোর্ট ফি জমা দিতে পারবেন।। তবে আপনি এসবক্ষেত্রে নতুন হলে সবচেয়ে নিরাপত আপনি ব্যাংকের মাধ্যমে ফি পরিশোধন করুন।

পাসপোর্ট আবেদন করার সময় Online Payment হতে আবেদন করলে, আবেদনটিতে কোন ভুল হলে যদি আবেদন বাতিল করতে চান তখন Payment টিও বাতিল হয়ে যাবে। তাই Offline Payment করা উচিত। Offline পেমেন্ট চালানটির মেয়াদ ৬ মাস থাকবে। এই পেমেন্ট চালান দিয়ে ৬ মাসের মধ্যে আপনি পাসপোর্ট আবেদন করতে পারবেন।


৪. অন্যান্য কাগজপত্র (প্রযোজ্য হলে)

পাসপোর্ট করার জন্য উপরের ৩টি মূল কাগজপত্র ছাড়াও অন্যান্য কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে, যেগুলো সবার জন্য প্রযোজ্য নাও হতে পারে। আপনার তথ্য ও আবেদন অনুসারে, পূর্ববর্তী পাসপোর্টের ফটোকিপি, নাগরিক সনদ, পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের কপি, পেশার প্রমাণপত্র, কাবিন নামা, ইউটিলিটি বিল ইত্যাদির কোন ডকুমেন্ট লাগতে পারে।


নাগরিক সনদ/ কাউন্সিলর/ চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট


নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে তাদের ক্ষেত্রে নাগরিক সনদ প্রয়োজন হতে পারে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলর থেকে নাগরিক সনদ নিতে পারবেন।


পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয় পত্র


পাসপোর্ট আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছরের কম হলে পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।


পুরাতন পাসপোর্টের কপি


যারা Passport Renew করবেন, তারা তাদের সর্বশেষ পাসপোর্টটি আবেদন জমা দেয়ার সময় নিয়ে যাবেন। এছাড়া আবেদনের সাথে একটি ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। মনে রাখবেন, পূর্ববর্তী পাসপোর্টের তথ্য কোনভাবেই গোপন রাখা যাবে না, গোপন করলে আবেদন ফি সহ আবেদন বাতিল করা হবে।


NOC বা GO


সরকারি চাকরীজীবি যারা নিজ প্রয়োজনে পাসপোর্ট করবেন, তারা তার বিভাগ বা অধিদপ্তর থেকে No Objection Certificate বা অনাপত্তিপত্র নিতে হবে।

অপরদিকে যারা সরকারি কাজে দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করবেন। তাদের প্রয়োজন হবে সরকারি অফিসিয়াল পাসপোর্ট করার সরকারি আদেশ।


পেশাগত সনদ বা চাকুরীর আইডি কার্ডের কপি


পেশাজীবির ক্ষেত্রে- যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, হিসাবরক্ষক, আইনজীবির ক্ষেত্রে পেশার প্রমাণপত্র হিসেবে সনদ বা আইডি কার্ডের কপি জমা দিতে হবে।


কাবিন নামা


পাসপোর্টে Spouse Name যুক্ত করলে স্বামী বা স্ত্রীর এনআইডি কার্ড ও Marriage Certificate বা কাবিন নামার কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।


বিশেষ দ্রষ্টব্য: পাসপোর্ট সংশোধনের ক্ষেত্রে নামের বড় ধরণের সংশোধন, জন্ম তারিখ ও স্থায়ী ঠিকানা সংশোধন করা হলে প্রয়ােজনে স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও অন্যান্য গােয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে প্রদত্ত তথ্য যাচাই করা হতে পারে।




বি:দ্রঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এর সাথে এই ওয়েবসাইটের কোন সম্পর্ক নেই। এই blog শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। তাই দয়া করে বিভ্রান্ত হবেন না।

বিশেষ বার্তাঃ ‘Tech Elite’ এই সাইটের যেকোনো কন্টেন্ট কপি করা থেকে বিরত থাকুন। যদি কপি করতে হয় তাহলে অবশ্যই এই সাইটের নাম ও লিংক পোস্টের সাথে শেয়ার করুন।
Tags:

Post a Comment

1Comments

আপনার একটি মন্তব্য একজন ব্লগারকে ভালো কিছু লিখার অনুপ্রেরণা ও মনোবল যোগাতে সাহায্য করে, তাই প্রতিটি পোস্ট পড়ার পর আশা করি নিজের মতামত জানাতে ভুলবেন না।

Post a Comment
Advertisement |    Advertisement |    Advertisement |    Advertisement     Advertisement |    Advertisement |    Advertisement |    Advertisement     techelite00
Click to Chat